ঢাকা , শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ , ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে আটক ধ্রুব রাঠি

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ১২:০২:২৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ১২:০৮:৩৭ অপরাহ্ন
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে আটক ধ্রুব রাঠি ফাইল ছবি
ভারতের দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে অংশ নিতে নয়া দিল্লি যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর আটক হয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠি। পুলিশের নির্দেশ না মানায় শনিবার সকালে নিজ বাসভবন থেকে গুরুগ্রাম ও দিল্লি পুলিশ যৌথভাবে তাকে আটক করে।

গুরুগ্রাম পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসকে জানান, দিল্লি পুলিশের একটি দল সকালেই ধ্রুব রাঠীর বাসভবনে গিয়ে তাঁকে দিল্লিতে না যাওয়ার অনুরোধ জানায়। পরবর্তীতে স্থানীয় পুলিশ টিমও তাঁর কাছে যায় এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন মেনে চলার আহ্বান জানায়। কিন্তু প্রশাসনের এসব অনুরোধ তিনি বারবার প্রত্যাখ্যান করলে পুলিশ তাঁকে আটক করতে বাধ্য হয়। গুরুগ্রাম পুলিশ জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ধ্রুব রাঠীর বাসার সামনে পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

এছাড়া সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় ধ্রুব রাঠী সবাইকে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজিপির বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।  

এদিকে ধ্রুব রাঠীকে আটকের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে সিজিপি। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ সংগঠনটি এক বার্তায় লেখে, ‘একনায়কতন্ত্র এখন তরুণদের প্রশ্ন করা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াকে ভয় পাচ্ছে।’

একই সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে দেওয়া অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে সিজিপি দাবি করে, ভোটার তালিকার অনিয়ম নিয়ে গণতান্ত্রিক কণ্ঠরোধ করতেই সরকার এই অভিযান চালাচ্ছে।

আটক সমাজকর্মী ধ্রুব রাঠীসহ অন্য সকল নাগরিক ও শিক্ষার্থী আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। 
উল্লেখ্য, দিল্লির যন্তর মন্তরে অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে সিজিপির আন্দোলন কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। 

তবে প্রশাসন থেকে আন্দোলনের কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুরো দিল্লি জুড়ে বসানো হয়েছে কড়া নিরাপত্তার বলয়।

প্রায় ৪০ হাজার দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে ব্যারিকেড ও স্পাইক স্ট্রিপ। 

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ